নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৩ জনের লাশ দেশে এসে পৌঁছেছে। বিকেল চারটার দিকে লাশগুলো নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সোয়া চারটার দিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে লাশগুলো হস্তান্তর করেন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার। এ সময় সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লাশগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ১৯টি গাড়িতে করে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি আর্মি স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়। এরপর অন্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

এর আগে আজ সোমবার সকালে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে তাঁদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

যেসব যাত্রীর মৃতদেহ ঢাকায় আনা হয়েছে তাঁরা হলেন ফয়সল আহমেদ, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আক্তারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান, সানজিদা হক, হাসান ইমাম, আখি মণি, মিনহাজ বিন নাসির, এফ এইচ প্রিয়ক, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানবিন শশী রেজা, উম্মে সালমা, অনিরুদ্ধ জামান, নুরুজ্জামান ও রফিক উজ জামান। যে চার বিমান ক্রুর মৃতদেহ আনা হয়েছে, তাঁরা হলেন আবিদ সুলতান, পৃথুলা রশীদ, খাজা হোসেন মোহাম্মদ শফি ও শারমিন আক্তার নাবিলা।

বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যে ১০ বাংলাদেশি প্রাণে বেঁচে গেছেন, তাঁদের মধ্যে সাতজন ইতিমধ্যে দেশে ফিরে এসেছেন। একজনকে ভারতে ও একজনকে পাঠানো হয়েছে সিঙ্গাপুরে। কাঠমান্ডু মেডিকেলে চিকিৎসা নেওয়া শাহীন ব্যাপারী গতকাল রোববার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা পৌঁছালে বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। আর আজ ২৩ লাশ বহনকারী উড়োহাজাকে করে ফেরেন আহত কবির হোসেন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে। এখন ইয়াকুব আলী কাঠমান্ডুতে চিকিৎসাধীন আছেন।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment