১৯৭২ সালে যা ছিল, শুধুই যুদ্ধাহতদের চিকিৎসা ক্যাম্প… এখন তা জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও যুদ্ধাহত পুনর্বাসন কেন্দ্র। ১৯৭১ সালে মার্কিন অর্থোপেডিক সার্জন প্রফেসর আর জে গার্স্ট যুদ্ধ ক্যাম্পে গিয়ে আহতদের চিকিৎসা করতেন। ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিজ অর্থে যুদ্ধাহতদের চিকিৎসা দেন তিনি।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায়  প্রফেসর আর জে গার্স্ট গড়ে তোলেন যুদ্ধাহত পুনর্বাসন কেন্দ্র।  অসংখ্য যুদ্ধাহতের আশ্রয় মিলে সেখানে।

১৯৭২ সাল থেকেই হাসপাতালটির উদ্যোক্তা প্রফেসর আর জে গার্স্টের সহকর্মী হিসেবে কাজ করেন আমজাদ হোসেন। পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আতাউরও সঙ্গী হয়েছিলেন গার্স্টের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরে হাসপাতালের পরিসর বৃদ্ধি করেন। যুদ্ধাহতদের স্মৃতি বিজড়িত প্রতিষ্ঠানটিতে এখন প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন হাজার হাজার রোগী।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment