সর্বোস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন মুক্তিযোদ্ধা, অধিকারকর্মী, ভাষ্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। সকালে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে দেয়া হয় গার্ড অব অনার। পরে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনে একে একে বিভিন্ন সংগঠন, সহযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সব শ্রেণীর মানুষ ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। পরে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে বিকেলে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়

হার না মানা এক যোদ্ধার নাম ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। নারী আন্দোলনের পাশাপাশি যিনি নান্দনিক শিল্পচর্চায়ও ছিলেন অনবদ্য। তার শেষবিদায়ে জানানো হয় রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।

জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

অনেকের কাছে তিনি ছিলেন, হাজারো মানুষের না বলা কণ্ঠস্বর। বারবার আঘাতের পরও কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, কিভাবে যুদ্ধের পরও যুদ্ধ করতে হয়, তার এক জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন মুক্তিযোদ্ধা, অধিকারকর্মী ও ভাষ্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment