সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য পাটপণ্যের বহুমুখি ব্যবহার নিশ্চিত ও রপ্তানি নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা চলছে বলে জানালেন পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। অর্থনীতিবিদদের মতে, পাটকে লাভজনক করতে সবার আগে কমাতে হবে উৎপাদন ব্যয়।

জুট এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য মতে,মাসে ৬ থেকে ৭’শ কোটি টাকার পাটপণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি সদস্য ছাড়াও বিশ্বের ১’শ ২০টি দেশে বাড়ছে চাহিদা।

সেই চাহিদার একটা অংশ জোগান দেয় বাংলাদেশের ৭’শতাধিক ক্ষুদ্র-মাঝারি প্রতিষ্ঠান। আর পাটপণ্যে বৈচিত্র্য আনতে কাজ করছে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পাটখাত থেকে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৭৩ দশমিক এক শূন্য কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক নয়-চার শতাংশ।

এ খাতের সম্ভাবনা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে আইন সংশোধন,কৃষকদের প্রশিক্ষণসহ নানা পদক্ষেপের কথা জানান পাট প্রতিমন্ত্রী।

পাটপণ্যের বহুমুখি ব্যবহার নিশ্চিতে গবেষণায় জোর দেয়ার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে উৎপাদন খরচ কমানোর তাগিদ দিলেন এই অর্থনীতিবিদ।

খরচ কমাতে বড় পরিসরের পরিবর্তে ছোট ছোট মিল স্থাপনের উপর জোর দিয়েছেন তিনি।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment