শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ঘটনা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। দগ্ধ হওয়াদের ৬৫ শতাংশই নারী। গেলো তিন মাসে আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হওয়া প্রায় ছয় হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে। এমন দুর্ঘটনা কমাতে সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ ডাক্তার সামন্ত লাল সেনের।

অগ্নিদগ্ধ মাকে নিয়ে আঠারো দিন হল হাসপাতালে থাকছে লালমণিরহাটের রাশেদা। জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার ভাল ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন অসংখ্য রোগী ভর্তি হচ্ছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে। চাপ সামলাতে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে অনেক রোগীকে।

বার্ন ইউনিটের উপদেষ্টা ড. সামন্ত লাল সেন বলছেন,রংপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর থেকে আসা রোগীর সংখ্যাই বেশি। এদের ৬৫ ভাগই নারী।

জানালেন, আগুন পোহানো ছাড়াও ইদানিং ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধের ঘটনাও বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়াও রাজধানীর মিটফোর্ড ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলায় বার্ণ ইউনিট রয়েছে। তাই এক জায়গায় ভিড় না বাড়িয়ে অন্যান্য স্থানে গেলে সবারই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করেন সামন্ত লাল সেন।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment