অবৈধ ইটভাটার কারণে হুমকির মুখে ধামরাই উপজেলার কয়েকশ’ একর ফসলি জমি। কৃষিজমি উজাড় করে তৈরি হচ্ছে ইটভাটা। নেই জেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপরের স্তর ইট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় কমছে জমির উর্বরা শক্তি। তবে অনিবন্ধিত ইটভাটা চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

মদিনা ব্রিক ফিল্ড। ধামরাই উপজেলার আড়ালিয়া অঞ্চলে আবাদি জমির মাঝে গড়ে ওঠা ইটভাটা। জেলা প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই প্রায় এক বছর ধরে ইট প্রস্তুত করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ধামরাইতে গড়ে ওঠা শতাধিক ইটভাটার অধিকাংশই অবৈধ। কৃষকরা বলছেন, ইটভাটা থেকে নির্গত ছাই আশপাশের গাছপালা ও ফসলের মারাত্মক ক্ষতি করছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, অনুন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নিম্নমানের কয়লা ব্যবহার করা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলা হচ্ছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রণ আইনের তোয়াক্কা করছেন না।

পরিবেশের ঝুকির বিষয়টি মাথায় রেখে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন এস এস অ্যাগ্রো লিমিটেডের কর্ণধার ও সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার।

পরিবেশের ঝুকির বিষয়টি স্বীকারও করলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক। জানালেন, আইন প্রয়োগে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তবে অনেকটাই নিরব ভূমিকায় জেলা প্রশাসন। অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে, এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যান জেলা প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিরা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment