ব্যার্থতার পাল্লাটা ভারী করে শেষ করলো বছরের প্রথমে তিন ভিন্ন ফর্মেটের সিরিজ। প্রথমে জয়ের আশা নিয়ে নিজ মাটিতেই ত্রি-দেশীয় সিরিজের যাত্রা শুরু করে ফাইনাল পর্যন্ত উঠলেও ট্রফি হাতছাড়া করে টাইগাররা। পরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার। টেস্টে একটি ড্র বাদে, বিবর্ন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পারফর্মেন্স।

আইসিসি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বছরের শুরুতেই জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে ত্রি-দেশীয় ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেয় বাংলাদেশ। জিম্ববাবুয়েকে দুই ম্যাচে হারানোর সঙ্গে শ্রীলঙ্কাকে ১৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নতুন বছরে যাত্রা শুরু করে টাইগাররা। এদিন তামিম, সাকিব ও মুশফিকের উজ্জ্বল ইনিংসের পাশে ছিলো বোলারদের আগ্রাসী ক্রিকেটিয় মনোভাব। তবে পরের ম্যাচেই এই লঙ্কানদের কাছেই ১০উইকেটে হারে টাইগাররা। এদিন ৮২ রানে অল আউট বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতার সঙ্গে ছিলো বোলারদের বিবর্নতায় মোড়ানো সাতকাহন। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছেই ৭৯ রানে হেরে ট্রফি হাতছাড়া হয় টাইগারদের।

চট্টগ্রাম টেস্ট দিয়ে শুরু হয় লঙ্কানদের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ। সেই ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা উজ্জল হলেও বোলারদের ব্যর্থতা দেখে ক্রিকেট বিশ্ব। এই ম্যাচ ড্র করার সঙ্গে ছিলো মোমিনুলের ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি। যা কিনা প্রথম কোন বাংলাদেশির রেকর্ড। ঢাকা টেস্টে বোলাররা জয়ের আশা জাগালেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাড়ে ভক্তদের হতাশা। ম্যাচ শুরুর আগে টাইগার অধিনায়কের কথা মতই রেজাল্ট আসে। তবে বাংলাদেশ নয় শ্রীলঙ্কার পক্ষে। আড়াই দিনেই শেষ হয় দ্বিতীয় টেস্ট। ২১৫ রানের জয় নিয়ে সিরিজ জিতে সিংহলিজরা।

চার অভিষিক্তকে নিয়ে ঢাকায় সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটসম্যানদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৯৩ রান করে বাংলাদেশ। পরে এই রানকেই ফিকে বানিয়ে ৬ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নেয় হাথুরুসিংয়ের শিষ্যরা। চার পরিবর্তন নিয়ে সিলেটের মাটিতেও বোলিং, ব্যাটিং ফিল্ডিংয়ে ব্যর্থ হয় মাহমুদুল্লাহ বাহিনী। সঙ্গে শিরোপা হাতছাড়া হয় ও ২-০ তে সিরিজ হারে বাংলাদেশ।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment