বিশ্ব বাজারে ৫ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি ইন্টারনেটভিত্তিক অনলাইন আউটসোর্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে আউটসোর্সিং খাতে আয় হয়েছে প্রায় ৮শ’ কোটি টাকা। উন্নত সুযোগ সুবিধা ও প্রশিক্ষণ পেলে ভবিষ্যতে আউটসোর্সিং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ফ্রি-ল্যান্সাররা।

দিনাজপুরের নাসিম নবম শ্রেণীতে পড়ার সময় জানতে পারেন অনলাইনে  টাকা উপার্জন করা যায়। সে থেকেই অনলাইনের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ততা।

২০১৫ সালে ফ্রিল্যান্সার ডট কম-এ ২৭ মিলিয়ন ফ্রি-ল্যান্সারের মধ্যে সেরা ১০ এ স্থান করে ওয়েব প্রোগ্রামার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন নাসিম।

কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে পাঁচ বছরের মাথায় নাসিম গড়ে তোলেন নিজেদের প্রতিষ্ঠান। প্রতিমাসে তার উপার্জন হাজার ডলারের ওপর।

নাসিমের পথ অনুসরণ করে এখন ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহী হচ্ছেন আরও অনেক তরুণ। আউটসোর্সিংয়ে পিছিয়ে নেই নারীরাও। সব বয়সী মানুষ যুক্ত হচ্ছেন সম্ভাবনাময় স্মার্ট এ পেশাতে।

আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেট প্লেসে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা, লেখা ও অনুবাদ, ডাটা প্রসেসিং, গ্রাহকসেবা, বিক্রয় ও বিপণনে কাজ করা সম্ভব।

চড়া মূল্যের ধীরগতির ইন্টারনেট, পেমেন্ট সিস্টেমের জটিলতা, লোডশেডিংসহ প্রতিবন্ধকতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারলে ভবিষ্যতে আউটসোর্সিং হবে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত, এমনমই মনে করছে ফ্রিল্যান্সররা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment