গারো পাহাড় ঘিরেই অবকাশ কেন্দ্র

শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড় গজনী। একে ঘিরেই গড়ে উঠেছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র। সীমান্তঘেঁষা ছোট-বড় পাহাড়, শাল, গজারি, সেগুন আর লতাপাতার অপূর্ব বিন্যাস,প্রকৃতি প্রেমীদের বারবার আকর্ষণ করে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আধার গজনী অবকাশ কেন্দ্র। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নতুন রুপে সাজানো হয়েছে কেন্দ্রটিকে।

শেরপুর শহর থেকে ৩৪ কিলোমটারি দূরে,১৯৯৩ সালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গজনি অবকাশ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। ঝিনাইগাতি উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ২৭০ বিঘা পাহাড়ি এলাকা নিয়ে এ অবকাশ কেন্দ্রটি নির্মান করা হয়। কিন্তু ২০১৪ সালে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় এটি। ফলে ধীরে ধীরে পর্যটক শূণ্যতা দেখা দেখা দেয় এই কেন্দ্রটিতে।

কেন্দ্রটিকে পর্যটকদের সামনে নতুন করে উপস্থাপন করতে উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় গেল এক বছর ধরে শতাধিক শ্রমিক বিভিন্ন স্থাপনা ও ভাস্কর্য মেরামতের কাজ করে আসছে।  স্থাপন করা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির ভাস্কর্য। যোগ করা হয়েছে চিড়িয়াখানা।

জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সাড়াও দিয়েছেন পর্যটকরা।  দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই উপভোগ করতে আসছেন প্রকৃতির সুধা।

পর্যটন কেন্দ্রের নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ট্যুরিস্ট পুলিশ চেয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

আর বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনকে বিলাস বহুল ফাইভ স্টার হোটেল নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment

thirteen − 2 =