১২ দিনে ব্যাট-বলের লড়াইয়ে মধ্যদিয়ে দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের ত্রিদেশীয় সিরিজ। তাতে শুরু থেকে টাইগারদের আধিপত্য থাকলেও, শেষ হাসি হেসেছে সিংহলিজরা। তবে, ব্যাটিং-বোলিংয়ে টাইগারদের পারফর্মেন্স ছিলো চোখে পড়ার মতো। সর্বোচ্চ রান ও উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় টাইগার আধিপত্যতেই তা স্পষ্ট।

ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিংয়ে সমান নৈপূণ্যে দেখিয়ে সিরিজের অন্যতম দাবীদার হিসেবে জানান দেয় বাংলাদেশ দল। যদিও শেষ দু’টি ম্যাচে টাইগারদের অসহায় আত্মসমর্পণে দেখা দিয়েছে নতুন প্রশ্ন!

তামিমের ব্যাট হাসলে, কাঁপতে হয় প্রতিপক্ষকে। সেই টাইগার ওপেনারের টানা তিন ফিফটিতে, প্রথম তিনটি ম্যাচেই সহজ জয় পায় বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ২৫২ রান করে শীর্ষে আছেন এই টাইগার ওপেনার। পরের অবস্থানে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা। দুই ফিফটিতে ১৬৩ রান করে তৃতীয়তে সাকিব আল হাসান। যদিও, আঙ্গুলে চোটের কারণে ফাইনালে ব্যাট হাতে নিতে পারেনি দেশ সেরা এই অলরাউন্ডার।

সেঞ্চুরিবিহীন সিরিজে ফিফটি হয়েছে ১৪টি। যার ৭টিই এসেছে টাইগারদের ব্যাট থেকে। বাকী সাতটির মধ্যে ৪টি শ্রীলঙ্কা এবং ৩টি করেছে জিম্বাবুয়ে।

বল হাতেও বাংলাদেশের আশা জাগানিয়া পারফর্মেন্স। সর্বোচ্চ ১১ উইকেট নিয়ে লঙ্কান বোলার থিসারা পেরেরা শীর্ষে থাকলেও, পরের তিন অবস্থানেই টাইগাররা। সমান ৯টি করে উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রুবেল ও সাকিব। ৭ উইকেট নিয়ে পরের অবস্থানে আছেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ।

আসরের সর্বোচ্চ ইনিংসও বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ উইকেটে ৩২০ রান করে টাইগাররা। আবার সর্বনিম্ন রানের লজ্জাটাও লেথা স্বাগতিকদের পাশে। এই প্রতিপক্ষের কাছেই মাত্র ৮২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। এদু’টি ম্যাচেই রানের ব্যবধানে ১৬৩ রানের বড় জয়ের সঙ্গে ১০ উইকেট হারের লজ্জা পায় মাশরাফি-সাকিব-তামিমরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment