আধুনিকতা,ধর্মীয় অনুশাসন ও শিক্ষার অভাবে বিভিন্ন কুসংস্কারে আচ্ছন্ন সুন্দরবন সংলগ্ন জনপদ। এসব অঞ্চলে বাঘের আক্রমণে যাদের স্বামী মারা যান,তাদের বলা হয় বাঘ-বিধবা। জোটে নানা অপবাদ। বঞ্চিত হন সামাজিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে।

বাঘের থাবায় প্রাণ হারায় প্রথম স্বামী আব্দুল জলিল। এরপর দেবরের সঙ্গে বিয়ে হয় সোনামনির। বাঘের আক্রমণে মারা যায় দ্বিতীয় স্বামীও। এরপর থেকেই অপয়া, অলক্ষ্মী, স্বামীখেকো এসব অপবাদ মাথায় নিয়ে চলছে সোনামনির জীবন।

শুধু সোনামনিই নয়, এমন শত শত বাঘ বিধবার বসবাস সাতক্ষীরার সুন্দরবন এলাকায়। স্বামী বাঘের পেটে গেলে শ্বশুরবাড়িতে আর তাদের ঠাঁই হয়না। সন্ত্রানসহ নামতে হয় পথে। সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত তারা।

বাঘ বিধবাদের নিয়ে সরকারের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি সংগঠন কাজ করছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক ।পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০০১ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বাঘ বিধবা হয়েছেন সাড়ে এগারশ বাঘ বিধবা নারী।

 

 

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment