শিক্ষক সংকটে সুনামগঞ্জের কয়েকটি উপজেলার বেশ কিছু সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমেছে। অবিশ্বাস হলেও সত্যি যে, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের চাঁদার টাকায় খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চলে এমন স্কুলও আছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকায় অভিভাবকরা।

জগন্নাথপুরের স্বরুপচন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ১০টির মধ্যে ৭টি পদই শূন্য। ৩৪০ শিক্ষার্থীকে পাঠদানের জন্য আছেন মাত্র ৩ জন খণ্ডকালীন শিক্ষক। যাদের নামমাত্র সম্মানী দেয়া হয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের চাঁদার টাকায়।

জগন্নাথপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ৪জন। এদের একজন আবার প্রধান শিক্ষক।

অন্যদিকে, তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১ পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ৫জন শিক্ষক। এত অল্প শিক্ষক দিয়ে ৭১০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানে হিমশিম অবস্থা।

সুনামগঞ্জ সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৮ জন। শিক্ষক আছেন মাত্র ২৫ জন। তাও প্রতিদিনি সবাই হাজির থাকে না। বেশিরভাগ সময়েই ৬ষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর পাঠদান হয় একই সঙ্গে। সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৯টির মধ্যে ১৫টি শিক্ষকের পদ শূন্য দীর্ঘদিন।

শিক্ষকের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষ এবং তৃতীয় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারি সংকট আছে এসব স্কুলে। অভিযোগ স্বীকার করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কেবল আশ্বাস নয়, এসব সমস্যার দৃশ্যমান সমাধান চান শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment