ছোট হয়ে আসছে ওজোন স্তরের গর্ত। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আটলান্টিক মহাসাগর এলাকায় ২০০০ সালের তুলনায় ২০১৫-তে গর্তটি ৪০ লাখ বর্গ কিলোমিটার ছোট হয়ে গেছে। সিএফসি বা ক্লোরো-ফ্লোরো কার্বনের নির্গমন বন্ধ করা গেলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে ওজোন স্তর আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

ওজোন স্তরের প্রধান কাজ সূর্য থেকে ক্ষতিকর রশ্মিকে পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয়া। সূর্যের প্রায় ১ লাখ ডিগ্রী তাপমাত্রাকে ছেঁকে ১৫ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পরিণত করছে এটি। ১৯১৩ সালে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে ওজোন স্তরের অস্তিত্ব আবিস্কার করেন ফরাসি পদার্থবিদ চার্লস ফেব্রি এবং হেনরি বুইসন। আর ১৯৮৫ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানিরা জানান, ক্ষয়ে যাচ্ছে ওজোন স্তর।

বিশ্বজুড়ে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ওজোন স্তরে ফাটল ধরার অন্যতম কারণ। সেই ফাটল ভেদ করে সূর্যের ক্ষতিকারক তেজস্ক্রিয় রশ্মি মানুষের ত্বকে নানা রোগ সৃষ্টি করছে। বিরূপ প্রভাব ফেলছে উদ্ভিদ ও প্রাণি জগতেও।

ক্ষয়ে যাওয়া ওজোন স্তর রক্ষা ও বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমাতে সবুজায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।ওজোন স্তর রক্ষায় বাংলাদেশের নানা উদ্যোগের কথা জানালেন পরিবেশ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।

ওজোন স্তরের গর্ত ক্রমশ ছোট হয়ে আসার বিষয়টিকে একটি বড় বিস্ময় বলে উল্লেখ করেছেন ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি, এমআইটির গবেষকরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment