ব্লু হোয়েল গেম আত্মহত্যার নির্দেশ দেয়

ব্লু হোয়েল গেম, যার রুশ নাম সিনিয় কিতপ্রাণঘাতি এ গেমটির রয়েছে ৫০টি ধাপ। গেমের এডমিনের নির্দেশে ৫০দিন ধরে বিভিন্ন কাজ করতে হয়। সবশেষ চ্যালেঞ্জ হিসেবে অংশগ্রহণকারীকে আত্মহত্যা করার নির্দেশ দেয়া হয়। বিশ্বে এখনও পর্যন্ত ব্লু হোয়েল খেলতে গিয়ে ১৩০ জনেরও বেশি কিশোর-কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবী করা হয়।[তবে, প্রশ্ন উঠেছে গেমটির লিঙ্ক পাওয়া বা ডাউনলোড করা সহজ কিনা সে প্রসঙ্গে।

২০১৩ সালে রাশিয়ায় প্রথম শুরু হয় ব্লু হোয়েল গেম। ফিলিপ বুদেইকিন নামে মনোবিজ্ঞানের এক প্রাক্তন ছাত্র ওই গেমের আবিষ্কারক । একুশ বছরের ওই রুশ যুবকের দাবি, যারা মানসিক অবসাদে ভোগে, তারা সমাজের বোঝা। আত্মহত্যার মাধ্যমে পৃথিবী থেকে তাদের সরিয়ে দিয়ে জঞ্জাল সাফ করাই তার লক্ষ্য।

সবার ধারণা, অ্যাপটি স্মার্টফোনে একবার ইনস্টল হলে তা আর রিমুভ করা সম্ভব হয়না। ফলে নোটিফিকেশন আসতেই থাকে। যা বিরক্তির সৃষ্টি করে গেমটি খেলতে বাধ্য করা হয়।

জানা গেছে, ব্লু  হোয়েল গেম মূলত পিসি গেম। রিয়েল আইপি ছাড়া লগইন করা যায়না। গুগলের প্লে স্টোর বা অ্যাপস্টোরে গেমটি পাওয়াও যায়না। শুধুমাত্র ডার্ক ওয়েবে পাওয়া যায় গেমটি। আর এতে প্রবেশ করতে নির্দিষ্ট সফটওয়্যার, কনফিগারেশন বা অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

সবচেয়ে বড় কথা, গেমটি বিট কয়েন দিয়ে কিনতে হয়। এক বিটের মূল্য হলো সাড়ে ৫ হাজার ডলার বা সাড়ে চার লাখ টাকা। যা সবার সামর্থ্যের মধ্যে থাকার কথা নয়। বাংলাদেশে কেউ কেউ গেমটি ডাউনলোড করেছেন বলে দাবি করেন। বিভিন্ন গবেষণা এবং জার্নালে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মূলত ডেমো ব্লু হোয়েল গেম খেলা হয়।

বাংলাদেশে গেমটির লিংক পাওয়া যায় না। তারপরও এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট হয়। এরপর আদালত আগামী ৬ মাসের মধ্যে এর লিংক বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment