লক্ষ্মীপুরে ফসলি জমির মাটি লুটের মহোৎসব চলছে। ভেকু ও ছয় চাকার ট্রাক্টর ব্যবহার এসব মাটি নেয়া হচ্ছে ইটভাটায়। এতে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক। অভিযোগ উঠেছে, একাধিক চক্রের কাছে জিম্মি কৃষক ও জমি মালিকরা।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে শুরু হয়েছে ইরি বোরো আবাদ। পাশের জমিতে চলছে মাটি লুটের মহোৎসব। ভেকু দিয়ে মাটি তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। কৃষক ও মালিকদের অনেকটা জিম্মি করে মাটি লুটের উৎসবে মেতেছে ইটভাটা মালিক ও দালালরা। ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়া ও মাটি লুটের কারণে চাষাবাদ ব্যহত হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। মাটিবাহী ট্রাক্টর চলাচলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সড়ক।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে ফসলি জমির মাটি উত্তোল বন্ধের আবেদন করেন আহমেদ জাকারিয়া নামে এক ভুক্তভোগী। অভিযোগে ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদের বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান বশীর আহমেদ মানিক, ভাদুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান ও দুলাল পাটওয়ারীসহ একটি চক্রকে এ জন্যে দায়ি করা হয়।

অবাধে মাটি উত্তোলনের ফলে বিরুফ প্রভাব পড়ছে কৃষিতে। কমছে ফসল উৎপাদন-এমনটি বললেন কৃষি কর্মকতা। লক্ষ্মীপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন কার্যক্রম না থাকার সুযোগ নিচ্ছেন একাধিক চক্র। এনিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখান নোয়াখালী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ছেরাজুল ইসলাম।

ইটভাটা মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক জানান মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমান আদালতও পরিচালনা করা হয়।

শুধু রামগঞ্জ নয়, লক্ষ্মীপুর সদরের বাঙ্গাখাঁ, দিঘলী, তেওয়ারীগঞ্জ, ভবানীগঞ্জ, চরশাহী, কুশাখালীতেও চলছে ফসলি জমির মাটি লুট।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author