হবিগঞ্জে বাড়ছে নিবন্ধনহীন নৌযানের দৌরাত্ব, মনিটরিংয়ের দাবি স্থানীয়দের

দেশের প্রচলিত আইনে যাত্রী বহনকারী সব নৌযানের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। তবে হবিগঞ্জে বাস্তবচিত্র উল্টো। সম্প্রতি আলাদা নৌকাডুবির ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানির পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে নৌযানকে আইনের আওতায় আনার। আর মনিটরিং কার্যক্রম অব্যহত রাখার দাবি স্থানীয়দের। হবিগঞ্জ প্রতিনিধি মোহাম্মদ ছানু মিয়ার তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রির্পোট।

 

হবিগঞ্জের অভ্যন্তরীণ রুটসহ নৌপথে কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে চলাচল করছে অন্তত দেড় হাজার ইঞ্জিনচালিত নৌকা। বর্ষায় জেলার ভাটি ও হাওড় অঞ্চলবাসীর একমাত্র যাতায়াত মাধ্যম নৌকা। চলতি মাসেই খোয়াই ও সোনাই নদীতে নৌকাডুবিতে মারা যায় অন্তত ১০ জন। প্রতিনিয়ত নৌকাডুবির ঘটনা ঘটলেও অনেকটা অন্ধকারে প্রশাসন। সড়ক পথে ভাল সুযোগ-সুবিধা না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে নৌপথেই চলাচল করছেন লোকজন। ইঞ্জিন চালিত নৌকায় লাইন্সেন করতে হয় বলে জানা নেই নৌ-যান সংশ্লিষ্টদের। তদারকির অভাবেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। আর সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। জেলার সব নৌযান নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানালেন জেলা প্রশাসক। অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ-১৯৭৬ অনুযায়ী ১৬ জনবলের উর্ধে ক্ষমতাসম্পন্ন সব নৌযানের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক ।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment