মহামারির মধ্যেও দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে

করোনায় গতি কিছুটা কমলেও, চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদে বাজেট বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বলেন, জুলাই পর্যন্ত প্রবাস এবং বৈদেশিক আয়ের পরিমাণও আশা জাগানিয়া।

তিনি আরও জানান, প্রণোদনা প্রদানসহ সরকারের নানা পদক্ষেপে মহামারির মধ্যেও দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, করেনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এর মোট পরিমাণ ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ কোটি টাকা। জিডিপির ক্রমাগত হারে বেড়েছে। কোভিড-১৯ এর কারণে কিছুটা শ্লথ হয়েছে। তারপরও এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে আমাদের জিডিপি অনেক ভালো। বর্তমানে জিডিপি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। মাথাপিছু আয়ও বেড়েছে, বর্তমানে মাথা পিছু আয় ২ হাজার ৬৬ ডলার। আমাদের রফতানি আয় ৪৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

গত বছরের তুলনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন ৮ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আমদানি ব্যয় ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ১২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ হয়েছে। বিপরীতে কর রাজস্ব ৪ দশমিক ১১ শতাংশ, প্রবাস আয় ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ, রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হেয়েছে ২ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

সামনের দিনগুলোতে ব্যয় বৃদ্ধির জোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারি ব্যয় হয়েছে ৬২ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা। যা বাজেটের ১১ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। এ সময় ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল মোট বাজেটের ১৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। সার্বিকভাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে গত অর্থবছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় মোট ব্যয় ৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ, বার্ষিক উন্নয়ন ব্যয় ২৬ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং পরিচালন ব্যয় ১ দশমিক ২৮ শতাংশ কমেছে।

এদিকে, ৬ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author