পুরো বাংলাদেশকেই রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

পুরো বাংলাদেশকেই রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, অভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে এশিয়ান হাইওয়ে এবং রেলওয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারলে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

আজ রোববার (২৯ নভেম্বর ) সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল-লাইন ডুয়েল-গেজ বিশিষ্ট রেলওয়ে ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নামে এই ডুয়েলগেজ ডাবল-ট্র্যাক সেতুটি নির্মিত হলে এটাই হবে দেশের বৃহত্তম ডেডিকেটেড রেল সেতু। যা দিয়ে  ৮৮টি রেল চলাচল করতে সক্ষম হবে। প্রকল্পটি ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকার অনুমোদিত
প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৭ হাজার ৭২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা জাপান আন্তর্জাতিক
সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে প্রকল্প সহায়তা হিসাবে এবং ২ হাজার ৯ কোটি ৭৫
লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকারের তহবিল থেকে আসবে।

সেতুটি রাজধানী ও দেশের পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে
অধিক সংখ্যক রেল চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের (বিআর) সক্ষমতা বাড়িয়ে
তুলবে। এটি রেলের যাতায়তের বিলম্ব কমাতেও সহায়তা করবে, যা এখন প্রতিনিয়তই
হচ্ছে।

বর্তমানে
যমুনা সেতুর রেল সংযোগে ট্রেনের গতি মাত্র ২০ কিলোমিটার। এমন বাস্তবতায় নদীর উপর
আলাদা রেলসেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। ৪ দশমিক আট কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ডাবল
লাইনের সেতু নির্মাণে খরচ হবে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা। কাজ শেষ হবে ২০২৫ সাল
নাগাদ। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বক্তব্যের
শুরুতেই অন্য সরকারের আমলগুলোতে রেলের দুরাবস্থার চিত্র তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা। বলেন, রেলকে পুরোপুরি ধ্বংসের পায়তারাও চলছিলো।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author