বগুড়ায় কিস্তির টাকার জন্য গ্রাহকদের হয়রানির অভিযোগ

বগুড়ায় কিস্তির টাকার জন্য গ্রাহকদের হয়রানির
অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন এনজিওর বিরুদ্ধে। এছাড়া জেলাজুড়ে দাদন ব্যবসায়ীদের হাতে
নিষ্পেষিত সাধারণ মানুষ। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় চড়া সুদে টাকা নিয়ে এখন কিস্তি পরিশোধ
নিয়ে হিমশিম নিম্ন আয়ের মানুষ। চাপ সইতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন কেউ
কেউ৷ তবে অভিযোগ অস্বীকার এনজিও সংশ্লিষ্টদের।

নওদাপাড়ার কিনু। মেকানিকাল ওয়ার্কসপের ব্যবসা
দাঁড় করাতে চড়াসুদে ঋণ নেন কয়েকটি এনজিও থেকে। এছাড়াও টাকা নেন দাদন ব্যবসায়ীর
থেকে। কিছুদিন ব্যবসা করে কিস্তি ও সুদ মেটালেও করোনায় থমকে যায় ব্যবসা। থেমে যায়
তার মায়ের মুদি দোকানের ব্যবসাও। আয় বন্ধ হওয়ায় কিস্তি ও সুদ দিতে হিমশিম কিনু ও
তার মা। কিন্তু সকাল-বিকাল এনজিও কর্মি ও সুদারুদের চাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠে জীবন।
অবশেষে স্ত্রী-সন্তানসহ বিষাক্ত রাসায়নিক পানে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় কিনু।

আত্মহত্যার চেষ্টা করেও বেচে যান কিনু, কিন্তু
মারা যায় অন্তস্বত্তা স্ত্রী ও ৫ বছর বয়সী কন্যা শিশু। ছেলের বউ ও নাতনিকে হারিয়ে
দিশেহারা মর্জিনা বেগম।

কিস্তি দিতে সময় চাইলেও এনজিও সেবা সংস্হার
ম্যানেজার কিনুকে দেয় অসহনীয় চাপ।

এনজিও কর্মী ও সুদারুদের বিরুদ্ধে এমন হাজারো
অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এনজিও কর্মীদের দাবি,করোনায় গ্রাহকদের প্রণোদনা দেয়া
হচ্ছে।

একদিকে এনজিওর চাপ অন্যদিকে দাদন ব্যবসায়ীদের
অত্যাচারে বগুড়ার হাজারো মানুষ অসহায়।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author