অর্ধেকে নেমে এসেছে দেশের পোশাক রপ্তানি আয়

করোনার প্রভাবে দেশের পোশাক রপ্তানি আয় নেমে এসেছে অর্ধেকে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ব লকডাউনের কবলে থাকায় রপ্তানি আদেশ বাতিলের পাশাপাশি নতুন আদেশও কমেছে। যদিও ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে এ খাত ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

করোনাকালে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রসহ শীর্ষে থাকা ৯টি দেশেই বাংলাদেশ থেকে কমেছে তৈরি পোশাক রপ্তানি। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, করোনাকালীন তিন মাসে পোশাক রফতানিতে আয় হয়েছে ৩৮৪ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার।

এর মধ্যে জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালিসহ ৯টি দেশ থেকে আয় ৩০৪ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকে রপ্তানির শীর্ষ দেশ জার্মানিতে এ আয় হয় ১৪৬ কোটি ২০ ডলার। পরের প্রান্তিকে এটি কমে দাঁড়ায় ৬৭ কোটি ৯০ লাখ ডলারে।

করোনার থাবায়
লকডাউনের কারণে রপ্তানি আদেশ বাতিল করে অনেক ক্রেতা। ফলে কমেছে আয়। পরিস্থিতি থিতু
হয়ে আসায় সামনের দিনগুলোতে রপ্তানি আয় ভালো হওয়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। সেক্ষেত্রে
ছোট ছোট কারখানা যাতে বন্ধ না হয়ে যায়,সেদিকে
খেয়াল রাখতে হবে।

অর্থনীতিবিদ ডক্টর
নাজনীন আহমেদ মনে করেন,যেসব দেশে রপ্তানি কমে গেছে
সেখানকার বাজারে তদারকি বাড়াতে হবে।ফের বাজার ধরতে কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার করতে।

পোশাক খাতে ঘোষিত প্রণোদনার অর্থছাড় সহজ করাসহ বাজার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি বাড়ালে ধকল কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে করেন ডক্টর নাজনীন। পোশাক রপ্তানি বাড়াতে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ কমানোর বিকল্প নেই।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author