রোহিঙ্গাদের ভাষাণচরে স্থানান্তর করা হবে

মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশকারী ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করা হচ্ছে নোয়াখালীর ভাষাণচরে। আপাতত ১৫ হাজার একরের এ চরটি রোহিঙ্গাদের সাময়িক আবাসস্থল হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। এর কার্যক্রমও চলছে দ্রুত গতিতে। এরই মধ্যে সরকার ও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা একাধিবার পরিদর্শন করেছেন।

মাত্র চার বছর আগে ২০১৩ সালের দিকে নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ এর মধ্যবর্তী স্থানে গড়ে ওঠে ভাসান চর। চরটির মোট আয়তন ১৫ হাজার একর হলেও জোয়ারের সময় প্রায় ৪ হাজার একর সাগরের পানিতে ডুবে যায়। এসময় সরকার ঘোষণা দেয় মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের কক্সবাজার থেকে এ চরে স্থানান্তর করার।

এমন খবরে পরিবেশ ও সামাজিক বিপর্যয়ের আশঙ্কার কথা তুলে ধরে স্থানীয়রা বলছেন রোহিঙ্গাদের নিজ দেশেই পাঠানোর উচিত।

আর জনসচেতনতার ওপর জোর দিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। এদিকে স্থানান্তরের আগে এ চরে মানব বসতি স্থাপনের উপযোগী কি না তা পরীক্ষা চলছে।

আর প্রশাসনের কর্মকর্তারা বললেন জনবসতির কারণে বন উজাড় হলে এর বিকল্প ব্যবস্থাও করা হবে। পূর্ণিমা এবং আমবস্যার জোয়ারের সময় ভয়াবহ রূপ নেয় ভাসানচর। এছাড়া মাটি পরিপক্ক না হওয়ায় সেখানে মানব বসতি স্থাপন ঝুঁকিপূর্ণ।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment