টিউশন ফি’র নোটিসে বিপাকে অভিভাবকরা

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও উচ্চতর ক্লাসে প্রমোশনের বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত আসার আগে শিক্ষার্থীদের বকেয়া টিউশন ফি আদায়ে অভিভাবকদের উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ এসেছে ঢাকার বেশ কিছু নামি বেসরকারি স্কুলের বিরুদ্ধে।

পাঁচ মাসের টিউশন ফি চেয়ে বেসরকারি স্কুলের নোটিসে বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকরা। করোনাকালে আর্থিক সংকটে সন্তানের টিউশন ফি অর্ধেক করার দাবি জানিয়েছেন তারা। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ বলছে,শিক্ষার্থীরা মাসিক বেতন না দেয়া পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতাসহ সার্বিক ব্যয় নির্বাহ করা যাচ্ছে না।

করোনাকালে শিক্ষার্থীদের বেতন নিয়ে শুরু হয়েছে
উভয়সংকট। করোনাকালে শিক্ষা ফি অর্ধেক করার দাবিতে আন্দোলন করছেন অনেক অভিভাবক। এ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের মত সরকারও কোন সাড়া দিচ্ছে না।

কিছু প্রতিষ্ঠান অনলাইনে পাঠদান করলেও সার্বিক
বিচারে সাত মাস ধরে বন্ধ সামগ্রিক পড়াশোনা। তাই টিউশন ফি বা বেতন অর্ধেক করার দাবি
জানাচ্ছেন অভিভাবকরা।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা বলছেন,
শিক্ষার্থীদের বেতন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতাসহ আনুষাঙ্গিক খরচ মেটানো হয়।
তাই এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই।

সশরীরে পাঠদান বন্ধ থাকলেও অনলাইনে নিয়মিত
ক্লাস হচ্ছে। তাই শিক্ষা ফি দিতেই হবে।

করোনার দাপটে কর্ম হারানোর পাশাপাশি উপার্জন
সীমিত হয়ে পড়ায় টিউশন ফি কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ
করেছেন অভিভাবকরা।  

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author