পিরোজপুরে বিলাঞ্চলে ভাসমান পদ্ধতিতে সবজির চারা

পিরোজপুরের বিলাঞ্চলে
দুইশ বছর ধরে ভাসমান পদ্ধতিতে পানির উপর উৎপন্ন হচ্ছে সবজির চারা। এর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান। এসব চারার বেশ চাহিদাও
রয়েছে।

জমিতে জলজ উদ্ভিদ
জন্মালে কৃষকদের দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। অনেক সময় অনাবাদিই থেকে যায়। তবে পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদ এবং বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিলে এই
জলজ উদ্ভিদই পাল্টে দিয়েছে হাজারও মানুষের ভাগ্য। বছরের বেশিরভাগ সময়
৬-৭ ফুট পানির নিচে তলিয়ে থাকা এসব জমিতে উৎপন্ন
কচুরিপনা ও বিভিন্ন প্রজাতির শ্যাওলা ব্যবহার করে উৎপাদন করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের সবজির
চারা।

যেটি স্থানীয়ভাবে
ধাপ নামে পরিচিত। প্রতি বছর জৈষ্ঠ্য থেকে ৪-৫ মাস চলে সবজির চারা উৎপাদন। ধাপগুলো একস্থানে
তৈরির পর ভাসিয়ে জলমগ্ন জমিতে স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে তার উপরে
সারি করে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সবজির বীজ ও অঙ্কুরিত চারা স্থাপন করা হয়।

এ পদ্ধতিতে চারা
উৎপাদনে অনেক খরচ। আর খরচ বহনে বিভিন্ন এনজিও বা ব্যাক্তি থেকে চড়া
সুদে ঋণ নিতে হয় তাদের।

মানসম্পন্ন সবজির
চারা উৎপাদনে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তারা।

এ বছর নাজিরপুর ও
নেছারাবাদ উপজেলায় ধাপ পদ্ধতিতে ভাসমান বীজতলা তৈরি করা হয়েছে ২৯০ হেক্টর জমিতে। আর গেল বছর এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত হয়েছিল প্রায় এক কোটি সবজির চারা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author