নাটোরে দাদন ব্যবসায়ীর ফাঁদে সর্বশান্ত সাধারণ মানুষ

নাটোরের গুরুদাসপুরে দাদন ব্যবসায়ী বিয়াঘাট ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ড মেম্বর সদস্য বেলাল হোসেন এর সুদের ফাঁদে সর্বশান্ত এলাকার মানুষ। ঋন পরিধোধ করলেও অনেকে গ্রাম ছাড়া। আবার সময় মত সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন কেউ কেউ। উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের ঘরে ঘরে  সুদের কারবার নিয়ে আতংর্কিত স্থানীয়রা। তার নামে থানায় অভিযোগ দিয়েও মিলছে না সুফল।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের গ্রাম জুড়ে দাদন ব্যবসা। ঘরে ঘরে চলে সুদ বাণিজ্য। কৃষিকাজ, অশিক্ষিত ও গরীব শ্রেণীর লোকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এ সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন অনেকে। এর অগ্রভাগে আছেন ক্ষোদ ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য বেলাল হোসেন। সুদের ব্যবসার মাধ্যমে কয়েক বছরেই বনেগেছেন কোটিপতি। অর্থ পরিশোধে সাদা স্ট্যাম্প ও চেক বইয়ে স্বাক্ষর নিয়ে করা হয় নানা হয়রানী।

সুদের জালে আটকে অনেকে হারিয়েছে বসত ভিটা, আবার অনেকে ছেড়েছে এলাকা। এসব দাদন ব্যবসা ও সুদ কারবারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে এলাকার প্রভাবশালী, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতা কর্মিরা। জেলার ৭টি উপজেলা জুড়েই এমন চিত্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক ব্যক্তি জানান, ওই সুদ ব্যবসায়ীর হাত থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। যদি কেউ বিপদে পড়ে ৫০ হাজার টাকা সুদে নেয়, তাহলে পাঁচ মাস পর ১ লাখ টাকা দিয়েও সুদ ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ হয় না। সুদ ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের জমি পর্যন্ত জোরপূর্বক লিখে নিচ্ছে। এরা এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

যে পরিমান টাকা
নেয়া হয়র দ্বিগুন পরিশোধ করেও দায় মুক্তি মিলছে না অনেকের। টাকা না দিতে না পারলে হুমকি
দেয়া হয় অপহরণের।

অভিযোগ আছে পাওনা
টাকা তুলতে মারধরসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের। লুটে নেয়া হয় গবাদি পশু।

তবে বেলাল মেম্বার
অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,জনপ্রতিনিধি হওয়ায়
মানুষকে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন মাত্র।

ইউপি চেয়ারম্যান
জানান,বেলাল হোসেনের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ অনেকেই
বিচার প্রার্থী হয়েছেন।

দাদন ব্যবসা
বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয়রা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author