ভারী বৃষ্টিতে দুর্ঘটনায় তেলেঙ্গানায় ৩০ জনের মৃত্যু

ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট দুর্ঘটনায় ভারতের তেলেঙ্গানায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ অনেকেই। রাজধানী হায়দ্রাবাদসহ বেশ কয়েকটি শহরের নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ধসে গেছে বেশ কিছু ভবনের দেয়াল। পানির তোড়ে ভেসে গেছে অসংখ্য যানবাহন। বৃষ্টিপাত আরও কদিন চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

আরও বর্ষণের পূর্বাভাস দিলে আইএমডি হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হায়দরাবাদে। হায়দরাবাদের একাধিক জায়গায় জল জমে গিয়েছে। ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক পথে সামসাবাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। শহরের একাধিক জায়গায় জল জমে গিয়েছে। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা শহরে। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শহরের সব সরকারি দফতরে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। হায়দরাবাদ যেন ভাসছে। একাধিক জায়গায় জল জমে গিয়েছে। ঘরের ভেতরে জল ঢুকে গিয়েছে।গৃহহীন হয়ে পড়েছেন অসংখ্যমানুষ। শহরের বাসিন্দাদের বাড়ির ভেতরেই থাকার অনুরোধ জানিয়েছে স্থানীয় পুলিস প্রশাসন।  পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বসেছেন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর এবং অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী জগন্মোহন রেড্ডি।

শুধু হায়দরাবাদেই এ পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সারিতে দু-মাসের একটি শিশুও রয়েছে। তেলেঙ্গানার নিচু এলাকাগুল সম্পূর্ণ ভাবে জলে নিমজ্জিত। রাতভর বৃষ্টির জেরে একটা বড় পাঁচিল ভেঙে ১০টি ঘর ভেঙেছে। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। মৃতেরা ওই ঘর-পরিবারের সদস্য। দিনে কিছুক্ষণের জন্য বৃষ্টি ধরলেও রাত থেকে ফের মুষলধারে শুরু হয় বর্ষণ।

তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গে একপ্রস্থ কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগমোহন রেড্ডির সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তেলেঙ্গানার মতো অন্ধ্রও বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। কেন্দ্র সম্ভাব্য সবরকম সহযোগিতা করবে বলে দুই মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের পরিস্থিতির উপর তিনি নজর রাখছেন। ।

এদিকে, ক্ষতি কাটাতে রাজ্য সরকারকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author