চে হত্যার ৫০ বছর

ইতিহাসের এক কিংবদন্তী বিপ্লবী নেতা আর্নেস্ত চে গুয়েভারা। যিনি একাধারে ছিলেন বিপ্লবী, গেরিলা নেতা, চিকিৎসক, লেখক, বুদ্ধিজীবি, কূটনীতিক ও সমরিক তত্ত্ববিদ। আর্জেন্টিনায় জন্ম হলেও সাম্রাজ্যবাদ, পুজিবাদী ব্যবস্থাপনা ও স্বৈর শাসনের বিরুদ্ধে পুরো লাতিন অঞ্চলে বিপ্লব ছড়িয়ে  দেন মহান এ নেতা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সহায়তায় গ্রেফতারের পর ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর তাকে হত্যা করে বলিভিয়ার সেনাবাহিনী।  মৃত্যুর ৫০ বছর পরও যিনি বর্তমান সারাবিশ্বের কোটি ভক্তের হৃদয়ে।

Che

তার পুরো নাম আর্নেস্তো গুয়েভারা দে লা সের্না। পৃথিবীতে প্রথম আলোর মুখ দেখেছিলেন আর্জেন্টিনার সান্তা ফে শহরে। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে ছিলেন সবার বড়। চে’র বাবা ছিলেন তৎকালীন স্পেনের গৃহযুদ্ধে রিপাবলিকানদের একজন গোড়া সমর্থক। সেই সংঘর্ষের সময় তাই চে’র বাড়িতে সেনাদের আসা যাওয়া ছিলো নিয়মিত। আর সেই থেকেই হয়তো নিজেকে গড়তে শুরু করেছিলেন একজন বিপ্লবী হিসেবে।

চে ছিলেন স্বপ্নচারী। তাইতো আরেক বিপ্লবী ফিদেল ক্যাস্ত্রোর সঙ্গে কিউবায় সফল বিপ্লব ঘটানো ও দেশ গঠনের পর থেমে থাকেননি। তার ইচ্ছে ছিলো কঙ্গো-কানশাসা ও বলিভিয়ায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার। যদিও সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টাকালেই ১৯৬৭ সালে তাকে হত্যা করে বলিভিয়ান সেনাবাহিনী।

চে’র দেহের মৃত্যু হলেও তিনি যে চেতনার জন্ম দিয়ে গেছেন তার কি মৃত্যু হবে? মানবতার জয়গান গাওয়া, অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলা, শোষিতের পক্ষে লড়াই করে যাওয়া বিপ্লবী চে’র মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক ও সমবেদনা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment