বাজারে চড়া সবজির দাম

রাজধানীর সবজির বাজারেও আগুনভাব। আগের সপ্তাহের তুলনায় কয়েকটির দাম কমলেও বেড়েছে শশা, কাঁচা মরিচ ও টমেটোর দাম।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাজারে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ো প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজিদরে। আর কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমে করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিদরে, কেজিতে ১০ টাকা কমে উস্তা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজিদরে।

প্রতিকেজি হাইব্রিড শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শসা (দেশি) বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, গাজর (আমদানি) ৮০ থেকে ৯০ টাকা, মানভেদে ঝিঙ্গা-ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাকরোল আকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, বেগুন আকারভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিদরে।

সামান্য কমে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা কেজিদরে। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু, পেঁপে, কচুরমুখি ও কাঁচকলা। এ বাজারে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিদরে, পেঁপে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা, কচুরমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচকলা প্রতিহালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ আটিপ্রতি পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে শাকের দাম। এসব বাজারে প্রতিআটি লালশাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা, মূলা ও কলমিশাক ১০ থেকে ১২ টাকা, পুঁইশাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, ডাটাশাক ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। আগের দাম চাওয়া হচ্ছে লাউ ও কুমড়ার শাকে। বর্তমানে লাউ ও কুমড়া শাক বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়।

অপরিবর্তিত আছে চাল, ডাল ও ভোজ্যতেল ও মসলার
দাম। এসব বাজারে বর্তমামে প্রতিকেজি মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২
থেকে ৫৪ টাকা কেজি, মিনিকেট পুরান ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, বাসমতি ৫৮ থেকে ৬০
টাকা, আতপ চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, প্রতিকেজি পোলাওয়ের চাল বিক্রি হচ্ছে ৯৫
থেকে ১০০ টাকা কেজিদরে। গুটি চাল বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা, পায়জাম ৪৫
টাকা ও আঠাশ ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সিদ্ধচাল বিক্রি
হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা কেজিদরে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author