বাঙালি সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্র টিএসসির আধুনিকায়ন হচ্ছে

সময়ের পরিক্রমায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়লেও, পরিসর বাড়েনি টিএসসির। তবে বাঙালি সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্রটিকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আর ঐতিহ্য আর নান্দনিকতাকে গুরুত্ব দিয়েই নকশা প্রণয়ণের কথা জানান-গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি
নির্মাণের ৬১ বছরেও অবকাঠামোতে হয়নি বড় কোনো সংস্কার। দেরিতে হলেও বিভিন্ন মহল
থেকে দাবি ওঠে টিএসসির ভবন সংস্কারের। তবে,
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী এক বছরের মধ্যেই শুরু হবে
টিএসসির আধুনিকায়নের কাজ। ইতোমধ্যেই ডিজিটাল সার্ভের অনুমোদন দিয়েছে গণপূর্ত
অধিদপ্তর।

টিএসসির নতুন ভবন নির্মাণে গণপূর্ত
অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেন প্রধামন্ত্রী। সে
নির্দেশনায় দাপ্তরিক কাজ শুরু হয়েছে। বাঙালি
সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত স্পটটিকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগকে
ইতিবাচক দেখছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

টিএসসির সংস্কারে স্বাগত জানিয়েছেন
শিক্ষকরাও। আধুনিক প্রযুক্তির মিশেলে ভবনের নান্দনিকায়ন চান তারা।

আর নকশা অনুযায়ী স্থাপনাটির
নান্দনিকতার পাশাপাশি ঐতিহ্য রক্ষার কথা জানান গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল
আলম।

অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ
অডিটোরিয়াম, সুইমিংপুল, ক্যাফেটেরিয়াসহ
গড়ে তোলা হবে সাংস্কৃতিক বলয়।

ঝুকিঁপূর্ণ হল সংস্কারসহ বিশ্ববিদ্যালয়েরঐতিহাসিক
স্থাপনাগুলোকেও আধুনিকায়নে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author