পোশাকে কুচির ফ্যাশন

বিশ্ব ফ্যাশনের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ক্লাসিক স্টাইলগুলোর পুনরাবর্তন। ডিজিটাল যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখন ফ্যাশন ট্রেন্ডও হতে চলেছে নজরকাড়া। অনেক নজরকাড়া ডিজাইনে কুচির কদর বর্তমানে চোখে পড়ার মতো। কুচি শুধুমাত্র এবার শাড়িতেই সীমাবদ্ধ নয় বরং আবার ঘুরে ফিরে আসছে কুচি দেয়া জামা,ঘটি হাতা,পলকা ডট এমনটি দাবি ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের।

কুচি ব্লাউজ: সময়ের প্রেক্ষাপটে বাঙালি নারীর বসনে এসেছে নানা সাজ,বিভিন্ন রূপ। তবু শাড়িতেই যেনো সবচেয়ে সুন্দর বাঙালি নারী। এই পোশাক আরো সুন্দর, আর আকর্ষণীয় করে তুলতে নানান কাটের ব্লাউজের ব্যবহার অপরিহার্য। ব্লাউজকে আরো রুচিশীল আর অভিজাত করতে আবারো ফিরে এসেছে কুচির ব্যবহার। লং হাতায় কুচি দিয়ে কিম্বা গলায় লেস দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন মনকাড়া সব ব্লাউজ।

পাফি স্লিভস / ঘটি হাতা:  ছোটবেলার সেই ঘটি হাতাই আবার ফিরছে।  বেশ কদর বাড়ছে বলিউড, হলিউড ও ফ্যাশন হাউজগুলোর পোশাকে। এবারও ক্যারোলিনা হেরেরা, ব্রোক কালেকশন, সিমোন রোচার মতো আন্তর্জাতিক সব ফ্যাশন হাউস পাফি স্লিভকে প্রাধান্য দিচ্ছে। দেশীয় পোশাকেও নজর পড়ছে ঘটি হাতার।

শাড়িতে লেসের কুচি:পোশাকে লেসের ব্যবহার নতুন কিছু নয়, তবে হাল ফ্যাশনে শাড়ির পাড়ে লেসের কুচি পোশাকে যোগ করে নতুন মাত্রা। বিয়ে কিংবা জন্মদিন অথবা যেকোন সামাজিক অনুষ্ঠানে পড়তে পারেন এমনি পোশাক। শাড়িতে গোল্ডেন, পার্পেল, বেবি পিংক, পীচ, ওয়াইনরঙ্গা লেসের কুচি নজর কাড়বে যে কারো।

পলকা ডট / বল প্রিন্ট কুচি: কিছু নকশা চিরায়ত, ইংরেজিতে যাকে বলে ক্ল্যাসিক। যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হওয়ার পরও তার চাহিদা ফুরোয় না। পোশাকের বেলায় পলকা ডটও সেই একই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এবার পলকা ডটে নতুনত্বের ছোয়া দিয়েছে কুচির ব্যবহার। ছোট থেকে বড়,কখনও একই রঙ্গের আবার কখনও বা রঙ বে রঙের বৃত্ত। যেকোন পোশাকে ডটের সেই কুচির ব্যবহার নিয়ে আসে ভিন্ন এক আভিজাত্য। পাশাপাশি তুলে ধরে এক ধরনের নমনীয়তা। বেলেনসিকাগা, বলমেইনসহ বেশ কিছু ডিজাইনার পলকা ডট নিয়ে আবার নতুন করে কাজ শুরু করছেন।

প্লিটস/বেবি ফ্রক,কুচি জামা,স্কার্ট: ফ্যাশন ডিজাইনাররা নানা রংয়ের পোশাকে প্লিটসকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। স্কার্ট, কামিজ, টি-শার্টে পাবেন প্লিটস। বর্তমানে এর চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। নব্বইয়ের দশকের বেবি ফ্রক বা স্কার্ট এসময়ে ফিরে আসছে আবারো।  এসব ডিজাইন তাই বেছে নিতে পারেন পরিবারের ছোট থেকে  বড় সব সদস্যদের জন্য।

তথ্যসূত্র-ইন্টারনেট

মালিহা চৌধুরী প্রীতি

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author