বাজারে বাড়তির দিকে সবজির দাম

বন্যা আর বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বাজারগুলোতে। সব ধরনের সবজির দামই বাড়তি। পবিত্র ঈদুল আজহার আগে রাজধানীর সবজির বাজার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও ঈদের পরই হঠাৎ চড়া হয় সব সবজির দাম।  

বন্যার অজুহাতে সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে দাম। তবে কিছুটা কমেছে গাজর, বেগুন ও করলার দাম। অধিকাংশ সবজির বাজার চড়া হলেও নিম্নমুখী শাকের দাম।

বিক্রেতারা বলছেন, বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় পাইকারি বাজারে মালের সংকট রয়েছে, এ কারণে দাম বাড়তি। আর ক্রেতারা বলছেন, বন্যা কোনো ইস্যু না, প্রতি ঈদের পরেই ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন।

অধিকাংশ বাজারে প্রতি কেজি ঝিঙা, চিচিঙ্গা, ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, কচুর লতি ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, কাকরোল আকার ভেদে ৫০ থেকে ৮০ টাকায়, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, কচুর ছড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, দেশি শসা ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, হাইব্রিড শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, আলু ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর মধ্যে কমেছে করলা, বেগুন ও গাজরের দাম। দু’দিন আগে করলা ১২০ টাকা পর্যন্ত কেজি বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। আর গাজর কেজিতে ২০ টাকা কমে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। গত দু’দিনের ব্যবধানে বেগুনের কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে গোল সাদা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় আর লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আর হালিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে প্রতি হালি কাঁচকলা ৪০ টাকায়, প্রতিহালি লেবু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে জালি কুমড়া।

অপরিবর্তিত আছে আলু, মিষ্টি কুমড়া, ধনিয়া
পাতা, পুদিনা পাতার দাম।  বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি কাঁচা মরিচের দাম ২০০
টাকা আর আমদানি (ভারতীয়) করা কাঁচা মরিচের দাম ১৬০ টাকা।

আদা ও পেঁয়াজের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে কিছুটা কমেছে রসুনের দাম। এসব বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে (মান ভেদে) ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে (মান ভেদে) ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। তবে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে বর্তমানে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।

এদিকে প্রতি কেজি মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকায়, মিনিকেট (পুরনো) ৫৫ টাকায়, বাসমতী ৫৮ থেকে ৬০ টাকায়, গুটিচাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়, পায়জাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকায়, স্বর্ণ ৪০ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে, আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে, আতোপ চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়, এক সিদ্ধ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়, প্রতি কেজি পোলাওয়ের চাল বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author