আম নিয়ে বিপাকে খাগড়াছড়ির চাষীরা

বিষমুক্ত ও ফরমালিনবিহীন হওয়ায় খাগড়াছড়ি জেলার আমের চাহিদা রয়েছে সারাদেশে। আম্রপালি, রাঙ্গুইসহ বিভিন্ন জাতের আম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পাইকারদের মাধ্যমে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে। সুস্বাদু হয়ায় এখানকার আম সারাদেশে সমাদৃত।

এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আম উৎপাদন হওয়ায় খুশি বাগাান মালিকরা। কিন্তু সেই আনন্দে ভাগ বসিয়েছে সড়কে অতিরিক্ত টোল ও ট্যাক্স। তাছাড়া আঞ্চলিক দলগুলোর চাঁদাবাজি তো আছেই।

আম চাষীরা অভিযোগ করেছেন আম পরিবহণে বিভিন্ন সংস্থার ধার্যকৃত টোল কয়েক গুন বেশি আদায় করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে টোল ইজারাদারদের একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় বলে জানান তারা।

বিভিন্ন স্পটে পার্বত্য জেলা পরিষদ ছাড়াও খাগড়াছড়ি ও রামগড় পৌরসভা টোলের নামে অস্বাভাবিক হারে অর্থ আদায় করছে। বিভিন্ন পাহাড়ি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলও হাতিয়ে নিচ্ছে চাঁদা। ফলে প্রতিটি আম বা ফলের ট্রাক খাগড়াছড়ি থেকে ফেনী বা চট্টগ্রামে পৌছাতে চাঁদা দিতে হচ্ছে ১০-১২ হাজার টাকা। এতে বিভিন্ন ফলমূলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। তবে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র বললেন টোল আদায় নিয়ে অভিযোগ সঠিক নয়।

এত কিছুর পর বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি টোল ইজারাদার সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ আছে খাগড়াছড়ি পৌরসভার ইজারাদার মেয়র রফিকুল আলমের কাছের লোকজন। অন্যদিকে সোনাইপুল টোল কেন্দ্র পরিচালনা করেন রামগড় পৌরসভার মেয়রের অনুগতরা।  আর গাড়িটানার ইজারাদার মানিকছড়ি আওয়ামীলীগ নেতা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author