বিশ্বে করোনায় মৃত্যু প্রায় ৪ লাখ

বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ছুঁইছুঁই করছে। আক্রান্ত ৬৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি। প্রাণহানি ও আক্রান্তের দিক থেকে এখনও শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছে এক লাখ ১১ হাজার ৩ শতাধিক মানুষ। আক্রান্ত ১৯ লাখ ৬৬ হাজারের কাছাকাছি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে মারা গেছে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বজুড়ে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সবাইকে জনসমক্ষে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে মারা গেছে প্রায় এক হাজার মানুষ। একদিনে নতুন শনাক্ত হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার ৪শ। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র সিডিসির তথ্য মতে, বিস্তার অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে মৌসুমী ফ্লুর প্রাদুর্ভাবের কারণে। এতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অকল্পনীয় চাপ তৈরি হবে।

করোনার পরবর্তী
কেন্দ্রস্থল হবে ব্রাজিল। মাস দুয়েক আগেই ভবিষদ্বাণী করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা। কিন্তু তা আমলে নেয়নি সরকার। বর্তমানে ব্রাজিলে করোনাভাইরাসে
আক্রান্ত হয়ে প্রতি মিনিটে একজন মানুষের মৃত্য হচ্ছে। দেশটির ফলহা ডি. এস. পাওলো নামের একটি
দৈনিক পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন প্রত্যাহার না করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ
সমালোচনা করে প্রেসিডেন্ট বলসোনারো, প্রয়োজনে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন।

মাঝে সংক্রমণ কমলেও এখন ইরানে দ্বিতীয় ধাপে ভাইরাসটি ছোবল বসাচ্ছে। সংক্রমণপ্রবণ এলাকাগুলোতে লকডাউন আরও কঠোর করা হচ্ছে। বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশি ভারতেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত
ও মৃতের সংখ্যা। একদিনের ব্যবধানে দেশটিতে মারা গেছে ২৯৪ জন। শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার
৮৮৭ জন মানুষ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৮ জুন
থেকে অফিস, রেস্তোরা, উপাসনালয় ও শপিংমল খুলে দেয়ার
পরিকল্পনা করছে দিল্লি।

এদিকে, বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যদিও মহামারির শুরুর দিকে সংস্থাটি বলেছিল, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি না। নতুন গবেষণাশেষে সংস্থাটি জানিয়েছে,করোনাক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সংক্রমণ রোধে বাধা হিসেবে কাজ করে মাস্ক। এ কারণেই পাবলিক প্লেস বা কোলাহলপূর্ণ স্থানে মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author