নির্ঘুম রাত কাটছে আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূল বাসিন্দাদের

নির্ঘুম রাত কাটছে ঘূর্ণিঝড় আমফানে নদী ভাঙনের শিকার মোংলা উপকূলের বাসিন্দাদের। জোয়ার আসলেই এলাকায় ঢুকে পড়ছে লবনাক্ত পানি। এতে দিন দিন বসতভিটা হারাচ্ছে নদী সংলগ্ন বাসিন্দারা। এরপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীপাড়ে অবস্থান করছে কয়েকশ পরিবার। নিরাপদ আবাসনে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের। আর ভাঙনরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিলেন জেলা প্রশাসক।

পশুর নদীর পাড়ের শেফালী মন্ডল, ভাঙ্গনের কড়াল গ্রাসে হারিয়েছে শেষ সম্ভলটুকু-ভেসে গেছে মাথা গোঁজার ঠাইও। এখন শুধু চোখের পানি ফেলানো ছাড়া আর কিছু করার নেই। হাজারো শেফালীর স্বপ্ন চুরমার হয়েছে নদী ভাঙ্গনে। গেল কয়েক বছর ধরে বাগেরহাটের মোংলায় নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানির স্তর দিন দিন উপরে উঠছে। নদী ভাংঙ্গনে দিন দিন হারাচ্ছে বসতভিটা। কেবল ঘুর্নিঝড় আমফানেই ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১২শ বসত ঘর। নদীতে বিলিন হয়েছে ১৮ কিলোমিটার বেড়িবাধ। বসতভিটা হারানোর আশঙ্কা নিয়েও অনেক
পরিবার নদীর তীরে বসবাস করছে। ত্রান নয় নিরাপদ বসবাসের জন্য এসব
মানুষের দাবী টেকসই বেড়িবাধ নির্মাণ।

উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে উল্লেখ করে ব্যাববস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: নাহিদুজ্জামান খাঁন। ঘুর্ণিঝড় আম্পান ও নদী ভাঙ্গনে যাদের ঘর হারিয়েছে বা ক্ষতি হয়েছে, তাৎক্ষনিক সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানান বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশিদ। দুর্যোগ ও জলোচ্ছাসে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের মৌলিক চাহিদা পুরণের পাশাপাশি নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবী উপকূলবাসীর।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author