উৎকন্ঠায় লিবিয়ায় খুন হওয়া ২৬ বাংলাদেশীর পরিবার

লিবিয়ায় পাচারকারী দলের গুলিতে নিহত ২৬ জন বাংলাদেশির বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। এসব পরিবারের সদস্যদের দাবি হত্যার আগে জিম্মি করে তাদের কাছে চাওয়া হয়েছিল মুক্তিপণ। এদিকে মাদারীপুরে  ১২ যুবকের এখনও খোঁজ মিলছে না। নিহত ও নিখোজেঁর তালিকা দীর্ঘ হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। দালালের মাধ্যমে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় পাড়ি জমান এসব বাংলাদেশি।

লিবিয়ায় পাচারকারীদের গুলিতে নিহত ২৬ বাংলাদেশির বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। কোনভাবেই কান্না থামছেনা স্বজন ও এলাকাবাসীর। এরমধ্যে ৮ জনের বাড়ী কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বিভিন্ন গ্রামে। বিভিন্ন সময়ে দালালের মাধ্যমে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় পাড়ি জমান তারা। হত্যার আগে পরিবারের কাছে ফোন করে মুক্তিপণ চেয়েছিল মানবপাচারকারীরা। অর্থ আদায়ে শাররিক নির্যাতনও চালানো হয়েছিল জীম্মিদের ওপর। ভৈরব থানার ওসি মো: শাহিন জানান, অবৈধ পথে বিদেশ না যেতে অনেক আগে থেকেই প্রচারনা চালানো হচ্ছে।

এদিকে, মানব পাচারকারীদের গুলিতে আহত মাদারীপুরের রাজৈরের তিনজন চিকিৎসাধীন। এসব পরিবারেও কান্না থামছে না। এছাড়া ইতালি যাওয়ার উদ্দেশে দেশছাড়া জেলার ১৬ জনের মধ্যে ১২ যুবকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা। রাজৈর থানার ওসি শওকত জাহান মোবাইলে জানান, বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। লিবিয়ার দক্ষিনণাঞ্চলীয় শহর মিজদা হতে ২৬ জন বাংলাদেশীসহ ৩০ জনকে গুলিকরে হত্যা করে পাচারকারীরা। আরও ১১ বাংলাদেশি মারাত্মক আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এ খবর প্রচার করে আন্তজার্তিক গণমাধ্যম।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author