এখনও রাজধানী ছাড়ছেন অনেকে

নিরানন্দ এবং উদ্বেগময় ঈদের আমেজ প্রায় শেষ। কিন্তু এখনও রাজধানী ছাড়ছেন অনেকে। করোনা ঝুঁকির চেয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো তাদের কাছে বেশি গুরুত্বের। একইভাবে গ্রামের বাড়িতে ঈদ কাটানোর পর ঢাকামুখী মানুষের ভিড় বাড়ছে। একারণে মানুষ ও ব্যাক্তিগত
গাড়ির চাপ বেড়েছে সড়ক-মহাসড়কের পাশাপাশি ফেরিঘাটে। এতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কোন সুযোগই থাকছে না।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার বাড়তে থাকলেও ঈদযাত্রায় এর প্রভাব খুব একটা নেই। তৃতীয় দিনেও যানবাহনের জন্য অপেক্ষায় অনেক মানুষ। একেক জনের একেক প্রয়োজন। ঝুঁকি থাকলেও, বাড়ি যেতেই হবে। কাঠালবাড়ি-শিমুলিয়া এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে ঘরমুখো যাত্রী ও পরিবহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুন। লঞ্চ, স্পীডবোট বন্ধ থাকায় নদী পারাপারের একমাত্র বাহন ফেরী। ফলে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকির মধ্যে গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে সবাইকে।

এদিকে, বাড়িতে ঈদ উদযাপন শেষে অনেকেই ফিরতে শুরু করেছেন কর্মস্থলে। ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-টাঙ্গাইল, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ঢাকামুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। গণপরিবহন না থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে মাইক্রোবাস, লেগুনা, মোটরসাইকেল ও সিএনজি অটোরিকশার উপরই ভরসা তাদের। রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে দাড়িয়ে থাকা সিএনজি চালকরা বললেন, করোনা ঝুঁকি থাকলেও এই সময়ে কিছু উপার্জনের চেষ্টা করছেন তারা।শুধুমাত্র ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সাগুলোকে নিয়ন্ত্রণের কাজেই ব্যস্ত ট্রাফিক পুলিশ।আর গাড়িতে করে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে টহল দিচ্ছেন সেনা কর্মকর্তারা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author