চরিত্র পরিবর্তন করছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা

স্থান-কাল-পাত্রভেদে চরিত্র পরিবর্তন করছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা।
ভৌগলিক অবস্থান ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে নিজের মত করে এটি ঢুকে পড়ছে মানবশরীরে।
তারপর পাল্টাচ্ছে আক্রমণের ধরণ। বিষয়টি বেশ ভাবিয়ে তুলেছে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের। যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের
তথ্য মতে জানুয়ারির শেষে ইতালিতে সংক্রমণ শুরুর পর ৫৯ দিনে এখনো পর্যন্ত সব
মিলিয়ে এক লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ৬৭ দিনে আক্রান্ত হয় দেড় লাখেরও বেশি মানুষ।

স্পেন, ইরান, যুক্তরাজ্য প্রায় সবগুলো দেশেই ভাইরাসটি বৃদ্ধির হারে
ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস
আক্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন ইতালিফেরত। এক্ষেত্রে প্রশ্ন জাগতেই পারে, ইতালি থেকে আসা ভাইরাস বাংলাদেশে কী ভিন্ন আচরণ করছে? যদি তা-ই হয় তবে তার কারণ কী?

চিকিৎসকদের মতে, চীনের উহান থেকে যে ভাইরাসটির উৎপত্তি তা মিউটেশন হয়েছে। কিছু দেশে সংক্রমণের
প্যাটার্নও একইরকম। অন্য কোথাও আবার একটু
ভিন্ন। বাংলাদেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। করোনার প্রথম ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা লক্ষণ প্রকাশ পায় ১৪ দিনের
মধ্যে। সে বিচারে দুটি
ইনকিউবেশন পিরিয়ড শেষ হবে ৫ এপ্রিল। তাই এ সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এরপর হয়ত বলা যাবে
বাংলাদেশে প্যাটার্নটা কী রকম।

করোনার জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করা হয়েছে
চারটি দেশে। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র, পরে ইতালি, এরপর চীন এবং চতুর্থত ভারতে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভাইরাসটির
ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা গেছে।

ভাইরাসের জীনের ওপর ভিত্তি করে আক্রান্ত ও
মৃত্যুর হার নির্ধারিত হয়, আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরও এ হার
নির্ধারিত হয়। এছাড়া, ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে ভাইরাসের
লক্ষণ প্রকাশের সময় ও ধরণ।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author