করোনাভাইরাসে সারা বিশ্বই নাস্তানাবুদ

করোনাভাইরাস সারা বিশ্বকেই নাস্তানাবুদ
করে তুলেছে। এর দাপটে বিশ্বজুড়ে
এখন পর্যন্ত মারা গেছে ২১ হাজার ২শ ৯৫ জন। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৭১ হাজার ৪১৭ জন মানুষ। স্পেনে
একদিনে ৭৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতালিতে বুধবার আরও ৬৮৩ জন মারা গেছে। এ নিয়ে সরকারি
হিসেবে দেশটিতে মোট মারা গেছে ৭ হাজার ৫০৩ জন। আমেরিকায় একদিনে ২২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর দিকে থেকে
দ্বিতীয় স্থানে স্পেন। বুধবার একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে স্পেনে।
এ নিয়ে দেশটিতে মারা গেলো মোট ৩ হাজার ৬৪৭ জন মানুষ। মোট আক্রান্ত ৪৯ হাজার ৫১৫ জন।
জরুরি অবস্থা চলায় নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘরে থেকে বের হচ্ছেন না কেউই।

ইতালিতেও মৃত্যুর তাণ্ডব অব্যাহত
রেখেছে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস। বুধবার আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৬৮৩
জনের। সব মিলিয়ে মৃতের পৌছেছে ৭ হাজার ৫০৩ জনে। নতুন করে ৫ হাজার ২১০ জন আক্রান্ত হওয়ায়,
এ সংখ্যা উন্নীত হয়েছে ৭৪ হাজার ৩৮৬ জনে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ গুণ বেশি হতে পারে
বলে মনে করেন ইতালির বেসামরিক সুরক্ষা সংস্থার প্রধান অ্যাঞ্জেলো বোরেলি। তার
হিসেবে অন্তত ছয় লাখ ৪০ হাজার মানুষ করোনাক্রান্ত হয়েছে। লকডাউনের কারণে সারাদেশের
পথঘাট, দর্শনীয় স্থান জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে।

ভাইরাসটি ছড়ানোর পর বুধবার একদিনে
আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি ২২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৯৪৭ এ পৌঁছালো।
নতুন ১১ হাজারের সঙ্গে দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৬৮ হাজার ৫৭১ জন। চীন ও ইতালির পর
এখন এই ভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা তৃতীয় সর্বোচ্চ।দেশটির নিউইয়র্কে আক্রান্তের
সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। প্রায় ৩০ হাজার আটশো।

বুধবার নাগাদ ভারতে করোনা ভাইরাসে মারা গেছে ১১
জন। এদিনই মৃত্যু হয় ৩ জনের। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬শ। দেশজুড়ে চলছে তিন সপ্তার লকডাউন। তাই দিন এনে দিন
খাওয়া মানুষের সংসারে দেখা দিয়েছে অনাহারে মরার ভয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেশটির
বিভিন্ন স্থানে অকারণে বাইরে বের হওয়া মানুষদের ওপর চড়াও হয় আইন শৃঙ্খলা  বাহিনীর সদস্যরা। লাঠিপেটা করার পাশাপাশি কান
ধরে ওঠবসও করানো হয় অনেককে।পাকিস্তানে করোনা সংক্রমণে মৃতের
সংখ্যা বেড়ে হয়েছে সাত। আক্রান্ত ১০৩৫। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে সিন্ধ প্রদেশে।

ভাইরাসে শুধুমাত্র চীনের মূল ভূখণ্ডেই
আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ২৮৫ জন। আর মারা গেছেন ৩ হাজার ২৮৭ জন। তবে এখন চীনে এই হার
উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। গত কয়েকদিনে দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যের
কোটায়সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে কভিড-১৯
রোগে আক্রান্ত হয়েছে  ৪ লাখ ৫২ হাজার মানুষ। মোট মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৪৯৪
জনের। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার। 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author