জুতার তলায় সম্মানহানি শহীদ মিনারের

শহীদ
মিনারের মূল বেদীতে জুতা পায়ে ওঠা নিষিদ্ধ হলেও তা মানছেন না অনেকেই। শহীদ মিনার
চত্ত্বরে প্রকাশ্যে বা কিছুটা আড়ালে চলছে নানা ধরনের আড্ডা। আদালতের নির্দেশে
নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ দেয়া হলেও,এসব তদারকিতে তাদের খুজে পাওয়া যায় না। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিশিষ্টজনরা।

শহীদ
মিনার, মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে জীবন উৎসর্গকারী বীরদের সম্মানে
তৈরি। কিন্তু সেই বীরদের সম্মান দিতে যেন আমরা ভুলে গেছি। শহীদ মিনার এলাকায় আড়ালে-আবডালে
চলে নানা অপকর্ম। দিনের আলোতেই আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায় অনেককে, অন্ধকারে তো
কথাই নেই।

জুতার
তলায় সম্মানহানি হচ্ছে মূলবেদি। শিক্ষার্থী থেকে ফেরিওয়ালা এবং আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা
হরহামেশাই বেদিতে উঠছেন জুতা পায়ে। সবাই যেন অকাতরে বিসর্জন দিয়েছেন বিবেকবোধ।শহীদ
মিনারের এমন দশায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস
ফর বাংলাদেশের প্রধান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

২০১০ সালে সংস্থাটির করা
রিটের প্রেক্ষিতে, ৮ দফা নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট। যেখানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের
পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ দেয়ার আদেশ ছিলো।
কিন্তু সে আদেশও পুরোপুরি বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author