নির্বাচনী পোস্টারে বিড়ম্বনা

নির্বাচনী পোস্টারের বিড়ম্বনায় অতীষ্ঠ নগরবাসী। হিজিবিজিভাবে লাগানোর কারণে নগরীর সৌন্দর্যহানি তো হয়েছেই, তেমনি আতশী কাঁচ লাগিয়েও বোঝা মুশকিল কোনটা কার পোস্টার। সনাতন পদ্ধতির এমন কর্মকাণ্ডকে যন্ত্রণাদায়ক উল্লেখ করে, প্রচার প্রচারণায় ডিজিটালাইজড করার পরামর্শ দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর মিজানুর রহমান।

প্রধান রাস্তা থেকে শুরু করে অলিগলি, যেদিকে দৃষ্টি যায়– পোস্টার আর পোস্টার। সিটি নির্বাচন ঘিরে রাজধানীকে পোস্টারের নগরী বললে ভুল হবে না। নির্বাচনে পোস্টার থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে রাজধানীতে যেভাবে পোস্টার ঝোলানো হয়েছে তা কোনভাবেই মেনে নিতে নারাজ সাধারণ মানুষ। অবস্থা এতটাই জগাখিচুড়ি যে কোনটা কোন প্রার্থীর বোঝা মুশকিল।


তো গেল পোস্টারের কথা। এর বাইরে আরেক যন্ত্রণার নাম মাইকিং বিড়ম্বনা। বিশিষ্টজনদের মতে, প্রযুক্তির সঙ্গে তালমিলিয়ে প্রচারণার কৌশল নির্ধারণ করা গেলে পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি মুক্তি মিলবে শব্দদূষণ থেকে।কমিশনসহ সংশ্লিষ্টরা আন্তরিক হলে নির্বাচনী প্রচারণার ভোগান্তি থেকে জনসাধারণকে মুক্তি দেয়া সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author