বুলবুল থাবা বসিয়েছে উপকূলীয় এলাকায়

দুর্বল হয়ে আঘাত হানলেও ঘূর্ণিঝড় বুলবুল থাবা বসিয়েছে উপকূলীয় এলাকায়। প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়ায় বাড়িঘর ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সাতক্ষীরায় বিধ্বস্ত হয়েছে শত শত ঘরবাড়ি ও গাছপালা। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক বৃদ্ধ এবং খুলনার দাকোপ ও দিঘুলিয়ায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো সাগর উত্তাল রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপকূলের ১৪টি জেলায় প্রস্তুত রাখা হয় ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। প্রায় ২০ লাখ মানুষকে নিয়ে আসা হয় আশ্রয়কেন্দ্রে।

সুন্দরবন হয়ে সাতক্ষীরায় সবার আগে প্রচণ্ড গতিতে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। এতে উপকূলীয় শ্যামনগ‌র এলাকায় ক‌য়েক হাজার বাড়িঘর ও গাছপালা বিধ্বস্ত হয়। গাছপালা পড়ে রাস্তাঘাট আটকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে মাছের ঘের। আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয় ১ লাখ ৮৫ হাজার মানুষকে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পটুয়াখালীর মির্জাগ‌ঞ্জের উত্তর রামপুরা গ্রা‌মে হামেদ ফকির  নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। ঘরের ওপর গাছ উপড়ে পড়লে মারা যান তিনি। বুলবুলের তোড়ে ভোলার লালমোহনে উপড়ে পড়েছে গাছ ও ঘরবাড়ি। গাছ চাপায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

নোয়াখালী হাতিয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভারিবৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলসহ নিঝুমদ্বীপে কয়েকটি আশ্রয় কেদ্রে দুই সহস্রাধিক মানুষ আশ্রয় নেয়। খুলনা, বরিশালসহ উপকূলীয় অন্যান্য জেলাগুলোতেও
বুলবুলের প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে এবং দমকা বাতাস ও ঝড়ো
হাওয়া বইছে। সমুদ্র উত্তাল রয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author