ডুবোচর ও নাব্য সংকটে ফেরি পারাপারে দুর্ভোগ

পদ্মা নদীর পানি কমে যাওয়ায় শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটের ২টি চ্যানেলের প্রবেশমুখে বড় ধরনের ডুবোচর ও নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে টানা কয়েকদিন রাতে ফেরি বন্ধ থাকছে। দিনেও চলাচল করছে মাত্র ৩টি ছোট ফেরি। এতে ঘাটের দু’পাশে যানবাহন আটকা পড়ে নষ্ট হচ্ছে কাঁচামাল; দুর্ভোগে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলে যাতায়াতকারীরা।

পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি
বৃদ্ধি পাওয়ায় শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মূল চ্যানেল ২টি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়
বিকল্প একটি চ্যানেল চালু করেও কোন ফল মিলছে না। প্রথম থেকেই চ্যানেলটি সরু থাকায়
ওয়ান ওয়ে পদ্ধতিতেই ফেরি চলাচল করছিল। ফলে মাঝ নদীতে ফেরিগুলো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা
করতে হতো।  কিন্তু সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ
থেকে বিকল্প এ চ্যানেলে পলি জমে লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল। কয়েকদিন
ধরে পদ্মায় পানি কমতে শুরু করলেও নদী ভাঙ্গনের পলি ও তীব্র স্রোতে আরো ঝূকিপূর্ন হয়ে পড়ে এ নৌরুট।

উভয় ঘাটে সহস্রাধিক যানবাহনের সারি পড়েছে। ফলে দূর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না এই নৌরুট ব্যবহারকারীদের। যাত্রী ও গাড়ি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ফেরির মাস্টাররাও। তুলে ধরেন নৌরুটের অচলাবস্থার চিত্র। আর এমন পরিস্থিতির জন্য ভারত ফারাক্কা বাধ খুলে দেয়ায় অতিরিক্ত পানির চাপ ও নদী ভাঙ্গনকে দায়ী করছেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান। কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে ৪টি রোরোসহ ১৮টি ফেরি থাকলেও নাব্য সংকটের কারনে মাঝে মধ্যে চলাচল ব্যহত হচ্ছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author