বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সেইসঙ্গে বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতিও। এতে সহায় সম্বল হারিয়ে কর্মের সন্ধানে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে পাড়ি জমাচ্ছেন অনেকে। জীবিকার তাগিদে অনেকে বেছে নিয়েছেন বিচিত্র পেশাও।

থাকছেন বস্তিসহ পথের ধারে ঝুঁকিপূর্ণ ঝুপড়ি ঘরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়ভাবে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্পদ বীমা ও সঞ্চয় ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ডক্টর মাহবুবা নাসরিন।

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে প্রাকৃতিক
দুর্যোগ; বন্যা-খরা, পাহাড়ধস, লবনাক্ততাসহ নানা দুর্যোগে ঘটছে সম্পদ ও প্রাণহানি। ইনস্টিটিউট
অব ওয়াটার মডেলিং, আইডব্লিউএমের তথ্যমতে, দেশের প্রায় পাঁচ শতাংশ মানুষ নদীভাঙনের
শিকার। আর বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ সেন্টার, বিডিপিসি বলছে,
প্রতিবছর নদীভাঙনে গৃহহীন হচ্ছেন প্রায় আড়াই লাখ মানুষ।

নদীভাঙনে সহায় সম্পদ হারানো মানুষের
অনেকে জীবিকার সন্ধানে পাড়ি জমান শহরে। যাদের বেশির ভাগই ঠাঁই নেন ঢাকাসহ বিভিন্ন
শহরের বস্তিতে। অনেকে সংসার পেতে বসেন বিভিন্ন সড়কের ফুটপাতেই।

শহরে আসা ঠেকাতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের
জন্য ত্রাণ নির্ভর ব্যবস্থা যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের জন্য
স্থানীয় বিকল্প কর্মসংস্থান, সম্পদ বীমা, স্থায়ী ক্ষুদ্র সঞ্চয় কেন্দ্রিক ব্যবস্থা
গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ভৌগলিক অবস্থানের কারণে ভারত, চীন ও
নেপালসহ আশপাশের দেশগুলোতে অতিবৃষ্টিতে বন্যার শিকার হচ্ছে বাংলাদেশও। তাই
ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে আঞ্চলিক পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author