ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

বড় ধরণের ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। কারণ প্রতি একশ বছর পরপর বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলে বড় ধরণের ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আর এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও ব্যাপক হতে পারে। বাংলাদেশ ভারতীয়, ইউরেশিয় এবং মায়ানমার টেকটনিক প্লেটের মাঝে আবদ্ধ। ফলে এই প্লেটগুলোর নাড়াচাড়া হলে বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তাছাড়া ভারতীয় এবং ইউরেশিয় প্লেট দুটো হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে রয়েছে এবং ১৯৩৪ সালের পর প্লেটে তেমন বড় কোন নাড়াচাড়া দেখা যায়নি। এ কারণে বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই প্লেট দুটো নিকট ভবিষ্যতে নড়ে উঠলে, বড় ধরনের ভূমিকম্পের কারণ হবে।

বাংলাদেশের উত্তরপূর্বাঞ্চল তথা সিলেট এবং তৎসংলগ্ন এলাকা প্রবল ভূমিকম্প প্রবণ। এর পরের অংশগুলোও যেমন ঢাকা ও রাজশাহী শহরও ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা।

১৮৯৭ সালের ১২ জুন ৮ দশমিক ৭ মাত্রার দ্যা গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়েক ভারতবর্ষে আঘাত হানে, যা আজও পৃথিবীর অন্যতম বড় ভূমিকম্প হিসেবে পরিচিত। এরপর ১৯১৮ সাল ছিল সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পের বছর। মোটামুটি প্রতি একশ বছর পরপর এ অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সবশেষ ভূমিকম্পেরও প্রায় একশ বছর কেটে গেছে। তাই যে কোন সময় ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment