বন্যায় লাখো মানুষের ভোগান্তি

বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বণ্যার কারনে দেশের বিভিন্ন স্থানের লাখ লাখ মানুষ ভোগান্তিতে। কোথাও কোথাও পানি কমলেও বক্ষ্রপুত্র ও ঘাগট নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। গাইবান্ধায়
ব্রক্ষপুত্রের পানি বিপদসীমার ১০৬ সেন্টিমিটার ও 
ঘাঘট নদীর পানি ৫৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় পানিবন্দি হয়ে আছে জেলার কয়েক লাখ মানুষ।

জামালপুরে
সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ঘন্টায় যমুনার পানি ৪৩ সেন্টিমিটার কমে
বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ৭১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এখনো
পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জসহ
৭ উপজেলার লাখ লাখ মানুষ।

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমতে শুরু করলেও শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী উপজেলার অর্ধশত গ্রামের নিম্নাঞ্চলের অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বিপদ সীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি। তবে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও ভোগান্তি কমেনি মানুষের। বন্যায় রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিভিন্ন এলাকায়।

নীলফামারিতে
তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার 
নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গয়াবাড়ী ইউনিয়নের চড় খড়িবাড়ী মৈাজায় বাঁধ ভেঙ্গে ১৫টি
গ্রাম প্লাবিত। 

টাঙ্গাইলে ৩টি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর
দিয়ে বইছে। যমুনা নদীর পানি অনেকটা কমে বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরীর পানি ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ১৪১ সেন্টিমিটার এবং
ঝিনাই নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author