বৃষ্টি ও উজানের
ঢলে প্লাবিত হচ্ছে বিভিন্ন জেলায় নতুন নতুন এলাকা। এতে করে ভোগান্তিতে বিভিন্ন জেলার লাখ লাখ
মানুষ। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র, ও ঘাঘট নদীর
পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গাইবান্ধায়
ঘাঘট ও ব্রহ্মপুত্রের পানি কিছুটা কমেছে। তবে ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকতে থাকায়
বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১৪৪ সেন্টিমিটার
ও  ঘাঘট নদীর পানি ৮৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে
প্রবাহিত হচ্ছে।

উজানের
ঢলে আত্রাই নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে নওগাঁর মান্দা উপজেলার কশব,বিষ্ণুপুর  ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ১৫
হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন।

নীলফামারীতে
তিস্তার পানি বিপদসীমার ৪৫ সে.মি নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন
উন্নতি হয়নি।

জামালপুরে
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বাহাদুরাবাদ ঘাট
পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ১৩৭ সে.মি. উপর দিয়ে বইছে। ৬টি পৌরসভা ও ৭টি
উপজেলার ৬ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

শেরপুরে
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলা সদর ও
শ্রীবরদী উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় বেড়েছে বন্যার্ত মানুষের সংখ্যা। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের
পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন
বোর্ড।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author