উজানের
ঢল ও কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বেড়েই চলছে নদীর পানি। এতে করে বাড়ছে নদী ভাঙ্গন। বিভিন্ন
জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারনে দুর্ভোগে অনেক পরিবার।

বগুড়ায়
বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও
ধুনট উপজেলায় প্লাবিত হয়েছে সাড়ে ৫শ’ গ্রাম। ডুবে গেছে প্রায় ৭৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

জামালপুরের
বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত
হচ্ছে। জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ,সরিষাবাড়ি,মাদারগঞ্জ
ও মেলান্দহ উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে দুই লাখের বেশি মানুষ।  

মৌলভীবাজার
সদর উপজেলার খলিলপুর,
মনুমুখ ও আখাইলকুড়া ইউনিয়নের অন্তত ২৫টি গ্রামের প্রায় ২০
হাজার মানুষ পানি বন্দি। মনু নদীর পানি বিপদসীমার ৮৬
সেন্টিমিটার, ধলইয়ের ১৫ সেন্টিমিটার ও কুশিয়ারা নদীর পানি ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে
প্রবাহিত হচ্ছে।

গাইবান্ধার
ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি বাড়তে থাকায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি
হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার
১৩০ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে ৮৯ সেন্টিমিটার ও তিস্তা
নদীর পানি বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শেরপুরের বিভিন্ন নদীর পানি কমতে
শুরু করেছে। তবে এখনো পানিবন্দি হয়ে আছে প্রায় ৪০টি গ্রাম। ফেনীর
ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির
কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে বান্দরবান চট্টগ্রাম ও বান্দরবান-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ
এখনো বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে স্থানীরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author