সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ভারত তিস্তা ব্যারেজের ১১টি গেট খুলে দেয়ায় তিস্তার পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে বাঁধের অন্তত ১৬টি পয়েন্টে। একারনে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এসব জেলায় নতুন করে প্লাবিত হয়েছে দুই শতাধিক গ্রাম। এদিকে, জামালপুর ও সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি। কক্সবাজারে কিছুটা উন্নতি হলেও পানিবন্দি রয়েছে প্রায় ৫ লাখ মানুষ। পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি সিলেট ও মৌলভীবাজারে।

ভারতের কয়েকটি এলাকায় বন্যা দেখা দেয়ায় রোববার তিস্তা ব্যারজের ১১টি গেইট খুলে দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। একারনে তিস্তার পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অবনতি হয়েছে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির। এসব জেলার দুই শতাধিক গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।

পানিবন্ধি হয়ে দূর্ভোগে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। ডুবে গেছে ঘরবাঢ়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি। সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সদর উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ।

অপরিবর্তিত রয়েছে জামালপুরের পরিস্থিতি। যমুনার বাহাদাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে পানি  বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে আছেছে ৫০ হাজারেরও বেশী মানুষ। মৌলভীবাজার সদরে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো পানিবন্দি রয়েছে জেলার ৩ লাখ মানুষ। বন্ধ হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও আট উপজেলার প্রায় ৫ লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment