দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি বেড়ে
যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে নিচু এলাকা ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ছয় দিন ধরে টানা
বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে পার্বত্য
তিন জেলার নিম্নাঞ্চল। বান্দরবানের সঙ্গে এখনও সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে ফেনীর
পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলা। লালমনিরহাটে পানিবন্দী ১৫ গ্রাম। বন্ধ রয়েছে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর
সড়ক যোগাযোগ।

দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি বেড়ে
যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে নিচু এলাকা ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে
বিপর্যস্ত বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। শহরের বাকলিয়া, হালিশহর,
মুরাদপুর ও ষোলশহর এলাকা হাঁটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়কে
পানি ওঠায় দুর্ভোগে কর্মস্থলগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। ছয় দিন ধরে বন্ধ রয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরের কার্যক্রম।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে
পার্বত্য তিন জেলার নিম্নাঞ্চল। খাগড়াছড়িতে চেঙ্গি ও মাইনী নদীর পানি বাড়ায়
জলবন্দি হয়ে পড়েছে ৩৮টি গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে পাহাড়ের
বিভিন্ন এলাকা।

পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে ফেনীর পরশুরাম
ও ফুলগাজী উপজেলার নিম্নাঞ্চল।

উত্তরাঞ্চলে ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহ সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে।
লালমনিরহাটে পানিবন্দী ১৫ গ্রাম।

সুরমার পানি বেড়ে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর
সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পানিবন্দি তাহিরপুর-বিশ্বম্ভরপুরের শতাধিক গ্রাম।
নেত্রকোণায় সোমেশ্বরী বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার উপরে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author