কেবল রমজান মাসের অভিযানে
নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এজন্য বছরজুড়েই সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জরুরি। এমন মত দিয়েছেন, কনজ্যুমার
অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান। এদিকে, ভেজালবিরোধী অভিযানকে
স্বাগত জানালেও এর প্রক্রিয়া নিয়ে কিছুটা অসন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরা। দোকান মালিক সমিতি
বলছে, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও খুচরা বাজার থেকে আলাদাভাবে পণ্যের নমুনা সংগ্রহ
করে পরীক্ষা করা উচিৎ।

রমজান মাস এলেই ভেজাল এবং
নিম্নমানের পণ্য ও খাদ্য সামগ্রীর বিরুদ্ধে জোরেশোরে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীসহ কয়েকটি সংস্থা। ব্যতিক্রম হয়নি এবছরও। ক্যাব সভাপতি গোলাম
রহমান মনে করেন, রমজানে বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়, এর সুযোগ নেন
ব্যবসায়ীরা। ফলে বাধ্য হয়েই নজরদারী বাড়াতে হয় প্রশাসনকে।

রমজান পেরোলেই অভিযানে দেখা
যায় ঢিলেঢালা ভাব। গোলাম রহমান বললেন, এক মাসের অভিযানে কখনোই নিরাপদ খাদ্য বলয়
গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এজন্য ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ
দরকার।

এদিকে, পণ্যের মান নিয়ে
নেতিবাচক প্রতিবেদন দেয়ার আগে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানিয়েছে, দোকান মালিক
সমিতি। নকল পণ্য চিহ্নিত করতে উৎপাদন থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত তিন ধাপে নমুনা
সংগ্রহের প্রস্তাব তাদের।

ভুল প্রতিবেদনের কারণে
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সুনাম যাতে ক্ষুন্ন না হয়, সে বিষয়ে নজরদারিও চান
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author