বিপাকে মহেশখালীর পানচাষিরা

কক্সবাজারের মহেশখালীর মিষ্টি পান দেশব্যাপী খুবই জনপ্রিয়। দেশব্যাপী অতিথি আপ্যায়নের অপরিহার্য অনুষঙ্গ বলেই চাহিদা থাকায় দিনদিন মিষ্টি পানের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পান চাষ মহেশখালীর জন্য অর্থকরী ফসল। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মিষ্টি পান রপ্তানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, রোগ-বালাইয়ের উপদ্রব, চাষের উপকরনের মূল্য বৃদ্ধি, বাজার মূল্য ধ্বসের পাশাপাশি বাজারে অতিরিক্ত টোল আদায় সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত চাষীরা।

কক্সবাজারের মহেশখালীর অধিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী পেশা পান চাষ। পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখানে পান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। মিষ্টি স্বাদ হওয়ায় এর কদরও দেশজুড়ে। দেশের দুই তৃতীয়াংশ মিষ্টি পান উৎপাদন হচ্ছে মহেশখালীতে। এক একর জমিতে বছরে ২৭ টনের অধিক পান উৎপাদন হচ্ছে। তবে ভালো ফলনেও লোকসানের মুখে পান চাষিরা।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়, রোগ-বালাইয়ের উপদ্রব, উপকরনের মূল্য বৃদ্ধি, বাজার মূল্য ধ্বসে হিমসিম চাষীরা।হাটের ইজারাদাররা টোলের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করার অভিযোগ করলেন পান ব্যবসায়ীরা। আর ৩শ’ টাকা পর্যন্ত টোল আদায়ের সত্যতা পেয়েছেন এ জনপ্রতিনিধি।

আর অতিরিক্ত টাকা আদায়কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন এ কর্মকর্তা।মহেশখালীর ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি পান চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন বলে জানালো কৃষি বিভাগ।কৃষি বিভাগ বলছে মহেশখালীতে ১ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমিতে পান চাষির সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author